ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

আগামী সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারে নির্বাচন কমিশন

  • আপলোড সময় : ০৪-০৯-২০২৪ ১২:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৯-২০২৪ ১২:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন
আগামী সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারে নির্বাচন কমিশন
আগামী সপ্তাহের মধ্যে নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যেও তাদের পদত্যাগ করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দুইজন কমিশনার সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে চান বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল একটি সূত্র।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করতে সময় চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে সময়ও দেয়া হয় সিইসিকে। কিন্তু রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে কোনো কিছু না জানিয়েই সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনারদের সাক্ষাতের সময় বাতিল করা হয়। এরপরই সিইসি একটি জাতীয় দৈনিকে ?‘বিপ্লব ও ফরমান: সরকার ও সংবিধান’ নামক নিবন্ধন লেখেন। সিইসি ওই নিবন্ধনে উল্লেখ করেন, ‘আলোচনার জন্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না’। তার মানে করণীয় ঠিক করতে আলোচনার জন্য রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ না পেয়েই সিইসি ওই নিবন্ধন লেখেন বলে জানায় নির্ভরশীল সূত্র।
সূত্র আরও জানায়, সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ আরও দুই কমিশনার পদত্যাগ করতে চান না। কিন্তু বাকি দুইজন কমিশনার সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে মতামত দিয়েছেন। সিইসি, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান ও মো. আনিছুর রহমান পদত্যাগ করতে চান। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ও বেগম রাশেদা সুলতানা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে চান।
এছাড়া বিভিন্ন সূত্র বলছে, গত রোববার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার নির্বাচন কমিশনারকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে টেলিফোন করলে তিনি এ পরামর্শ দেন। সিইসিকে রাষ্ট্রপতি পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, মানসম্মান নিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে যান।  
কাজী হাবিবুল আউয়াল ও নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমানকে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পাওয়া সিইসি ও অন্য চার নির্বাচন কমিশনারের ব্যাপারে তীব্র আপত্তি ছিল বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর। তাদের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এ নির্বাচন বর্জন করে। কারচুপি ও অনিয়মের মধ্যে অনুষ্ঠিত একতরফা এই সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর ৩ দফায় নির্বাচন কমিশনারদের মেয়াদকাল সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর হয়ে থাকে। সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের অপসারণ সম্পর্কে একই (১১৮) অনুচ্ছেদের দফা ৫-এ বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোনো নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হবেন না।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ সম্পর্কে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা ২-এ বলা হয়েছে, প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগ সম্পর্কে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর দফা (৬)-এ বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। এর আগে ১৯৯০, ১৯৯৬ এবং ২০০৬ সালে আন্দোলন-অস্থিরতার মধ্যে সরকার পরিবর্তনের পর প্রথমেই নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগ করতে হয়েছিল।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স